WBCS/WBPSC/RAIL/SSC Geography Short Note in Bengali | রাজ্য কেন্দ্রীয় বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য সম্পূর্ণ বাংলায় ভূগোল নোট || পর্ব - ০৭
Hello Freinds,
রাজ্য কেন্দ্রীয় বিভিন্ন পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে আমরা আজও ভুগোলের উপর সম্পূর্ণ বাংলায় আরো একটি সংক্ষিপ্ত নোট তোমাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি | WBCS/Rail/WBP যেকোনো পরীক্ষাই হোক ভূগোল বেশ কিছু প্রশ্ন জিকে বিভাগে আসতে দেখা যায় তাই আমাদের এই নোটস গুলো তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতি তে খুবই সাহায্য করবে , তবে আর দেরী কেন দেখে নাও ভূগোল শর্ট নোট পর্ব - ০৭ এবং চাইলে নিচে দেওয়া লিংক থেকে পিডিএফ টিও ডাউনলোড করে নিতে পারো ↓↓↓↓↓↓
c ) কৃষ্ণ মৃত্তিকা :
i) এই মৃত্তিকার রং কালো ।
ii) এই মৃত্তিকা অত্যন্ত উর্বর ।
iii) চাষের জন্য এই মৃত্তিকাতে
সবচেয়ে কম পরিমান সারের দরকার পড়ে ।
iv) উচ্চভূমিতে এই মৃত্তিকার
গভীরতা কম ।
v) নিম্নভূমি এবং নদী উপত্যকায় এই
মৃত্তিকার গভীরতা বেশি ।
vi) এই মৃত্তিকাতে কার্পাস,
চীনাবাদাম, তামাক,তিসি,
কমলালেবু প্রভৃতি চাষ হয়ে থাকে ।
vii) সমগ্র মহারাষ্ট্রে,কর্ণাটকের উত্তরাংশে,অন্ধ্রপ্রদেশের পশ্চিমাংশে এবং
মধ্যপ্রদেশের পশ্চিমাংশে, গুজরাটের কাথিয়াওয়ার উপদ্বীপের
মধ্যাংশে এবং দক্ষিণ পূর্বাংশে এই মৃত্তিকা দেখা যায় ।
viii) তবে কৃষ্ণমৃত্তিকা অঞ্চল
বলতে মহারাষ্ট্রের লাভা-মালভুমি অঞ্চলকেই বোঝানো হয় ।
ix) ওই অঞ্চলের গাঢ় কৃষ্ণমৃত্তিকা 'রেগুর' নাম পরিচিত ।
d ) পার্বত্য জলসিক্ত ততৃণাঞ্চলের মৃত্তিকা :
i) এই মৃত্তিকা গাঢ় বাদামি রঙের হয়
।
ii) এই মৃত্তিকা হিউমাস দ্বারা সমৃদ্ধ
হয় ।
iii) এই মৃত্তিকা চা চাষের পক্ষে
উপযোগী ।
iv) পার্বত্য অঞ্চলের বৃক্ষরেখা (timber)
এবং হিমরেখা (snow line) এর মধ্যবর্তী অঞ্চলে
এইরূপ মৃত্তিকা দেখা যায় ।
e ) নিম্ন পার্বত্য অঞ্চলের মৃত্তিকা :
i) এই মৃত্তিকা হিউমাস সমৃদ্ধ ।
ii) এই মৃত্তিকা অম্লধর্মী ।
iii) এইরূপ মৃত্তিকা আলু চাষের
পক্ষে উপযোগী ।
f ) মরু মৃত্তিকা :
i) এই মৃত্তিকা ক্ষারধর্মী ।
ii) মৃত্তিকার স্বাদ নোনা ।
iii) এতে লবণের পরিমান বেশি এবং
জৈব পদার্থের পরিমান কম ।
iv) এই মৃত্তিকা মিলেট চাষের
উপযোগী ।
v) আরাবল্লী পর্বতের পশ্চিমদিকে
এবং পাঞ্জাব ও হরিয়ানার অংশবিশেষে এইরূপ মৃত্তিকা দেখা যায় ।
g ) ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা :
i) এই মৃত্তিকায় লোহার পরিমান বেশি
থাকায় মৃত্তিকার রং লাল হয় ।
ii) এই মৃত্তিকা অম্লিক প্রকৃতির
হয় ।
iii) এই মৃত্তিকাতে লোহার পরিমান
খুব বেশি ।
iv) অত্যাধিক বৃষ্টিপাত হলে এই
মৃত্তিকার উর্বরতা নষ্ট হয় যায় ।
v) পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম, বর্ধমান, বাঁকুড়া এবং মেদিনীপুর জেলায় এই মৃত্তিকা
দেখা যায় ।
vi) পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও কর্নাটকে,
কেরলের কার্ডামম পাহাড়ে, মহারাষ্ট্রের
দক্ষিণাংশে,তামিলনাড়ু , ওড়িশা এবং
অন্ধ্রপ্রদেশে বিক্ষিপ্ত ভাবে এই মৃত্তিকা দেখা যায়
vii) নিম্ন ল্যাটেরাইট ভূমিতে ধান
চাষ হয় ।
viii) উচ্চ ল্যাটেরাইট ভূমিতে চা,
কফি এবং রবার চাষ হয়ে থাকে ।
h ) লোহিত মৃত্তিকা :
i) এই মৃত্তিকায় ফেরিক অক্সাইডের
পরিমান বেশি থাকে বলে এই মাটি লাল রঙের হয় ।
ii) এই মৃত্তিকায় নাইট্রোজেন,
ফসফরাস এবং হিউমাসের পরিমান কম থাকে ।
iii) এই মৃত্তিকায় আলু, গম, ডাল , তুলো , মিলেট , তিসি এবং তামাকের চাষ হয় ।
iv) কর্ণাটক, কেরল, তামিলনাড়ু , ওড়িশা ,
ঝাড়খণ্ড, অসম, মেঘালয় ,
মনিপুর , অন্ধ্রপ্রদেশের পূর্বাংশ, দক্ষিণ-পূর্ব মহারাষ্ট্র এবং মিজোরামে এইরূপ মৃত্তিকা দেখা যায় ।
i) লবনাক্ত এবং ক্ষারীয় মৃত্তিকা :
i) এইরূপ মৃত্তিকা বিভিন্ন নামে
পরিচিত - ঊষর, রেহ এবং কল্লর ।
ii) ক্ষারীয় মৃত্তিকায় ক্যালসিয়াম
এবং নাইট্রোজেন খুব কম পরিমানে থাকে ।
iii) রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ , হরিয়ানা , পাঞ্জাব
, গুজরাট , মহারাষ্ট্র এবং বিহারে
এইরুপ মৃত্তিকা দেখা যায় ।
B) পিট মৃত্তিকা :
i) এইরূপ মৃত্তিকা বোদ মৃত্তিকা
নামেও পরিচিত ।
ii) এই মৃত্তিকাতে জৈব পদার্থ
প্রচুর পরিমানে পাওয়া যায় ।
iii) ইমাটিতে পটাশ এবং ফসফেট কম
পরিমানে থাকে ।
iv) এই মৃত্তিকা লবনাক্ত প্রকৃতির
।
v) এই মৃত্তিকা অম্লধর্মী ।
vi) এই মাটির রং কালো ।
vii) এই মাটি ধান চাষের পক্ষে উপযোগী ।
viii) পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা , তামিলনাড়ু , কেরল ও উত্তরাখণ্ডের অংশবিশেষ এ এই মৃত্তিকা দেখা যায় ।
File Details ::
File Location : Google drive
File size :
No. of pages : 03
Download :: Click Here To Download

0 Comments
Please do not share any spam link in the comment box