WBCS/WBPSC/RAIL/SSC Geography Short Note in Bengali | রাজ্য কেন্দ্রীয় বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য সম্পূর্ণ বাংলায় ভূগোল নোট || পর্ব - ০৫
Hello Freinds,
রাজ্য কেন্দ্রীয় বিভিন্ন পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে আমরা আজও ভুগোলের উপর সম্পূর্ণ বাংলায় আরো একটি সংক্ষিপ্ত নোট তোমাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি | WBCS/Rail/WBP যেকোনো পরীক্ষাই হোক ভূগোল বেশ কিছু প্রশ্ন জিকে বিভাগে আসতে দেখা যায় তাই আমাদের এই নোটস গুলো তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতি তে খুবই সাহায্য করবে , তবে আর দেরী কেন দেখে নাও ভূগোল শর্ট নোট পর্ব - ০৫ এবং চাইলে নিচে দেওয়া লিংক থেকে পিডিএফ টিও ডাউনলোড করে নিতে পারো ↓↓↓↓↓↓
ব্রহ্মপুত্র :
উত্তরভারতের প্রধান তিনটি নদীর মধ্যে ব্রহ্মপুত্র অন্যতম ।
তিব্বতের মানস সরোবরের কাছে চেমায়ুঙদুং হিমবাহ থেকে ব্রহ্মপুত্র উৎপত্তি লাভ করেছে ।
তিব্বতে এটি সাংপো নামে পরিচিত ।
ভারতে প্রবেশ করা মাত্রই সাংপো নাম পরিবর্তন করে দিহাং নামে পরিচিত হয়েছে ।
ব্রহ্মপুত্রের ডানতীরস্থ উপনদীগুলির মধ্যে সুবর্ণসিঁড়ি , কামেং , তিস্তা , তোর্সা এবং মানস উল্লেখযোগ্য ।
বামতীরস্থ উপনদীগুলির মধ্যে বুড়িডিহিং , ধানসিঁড়ি , কিপিলি উল্লেখযোগ্য ।
লোহিত নদীও ব্রহ্মপুত্রের একটি উল্লেখযোগ্য উপনদী ।
অরুণাচল প্রদেশের মধ্যে দিয়ে ধুবড়ি পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র প্রবাহিত হয়েছে ।
ধুবড়ি থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হতে গিয়ে ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ।
বাংলাদেশে গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্র মিলিত হয়েছে এবং মিলিত জলরাশি বঙ্গপ্রসাগরে পতিত হয়েছে ।
ব্রহ্মপুত্রের দৈঘ্য ২৭০০ কিলোমিটার ।
ব্রহ্মপুত্রের ( আসাম ) মাজুলি দ্বীপটি পৃথিবীর বৃহত্তম । এটি ২০০৪ সালে 'ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট' এর জন্য মনোনীত হয়েছিল ।
ব্রহ্মপুত্রকে 'রেড রিভার' বলা হয় ।
এই নদীকে তিব্বতে 'সাংপো' বলে ।
ব্রহ্মপুত্র মানে - Son of Lord Brahma ।
বাংলাদেশের যমুনা বলা হয় ব্রহ্মপুত্ৰ কে ।
ব্রহ্মপুত্র লাল মাটিযুক্ত অঞ্চল আসাম দিয়ে প্রবাহিত ।
ব্রহ্মপুত্রের দীর্ঘ প্রবাহপথ পার্বত্য অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত ।
উপদ্বীপীয় মালভূমির নদনদী :
পূর্ববাহিনী নদীগুলির মধ্যে মহানদী , গোদাবরী , কৃষ্ণা এবং কাবেরী উল্লেখযোগ্য ।
এই নদীগুলি বঙ্গপ্রসাগরে পতিত হয়েছে ।
মহানদী শব্দটির অর্থ হল বড়ো নদী ।
ছত্তিশগড়ের রায়পুর জেলার অন্তর্গত দণ্ডকারণ্যের উত্তর পাদদেশ থেকে মহানদী উৎপত্তি লাভ করেছে ।
ওড়িশার কটকের পশ্চিমে মহানদী নারাজ নামক বদ্বীপ তৈরী করেছে ।
উপদ্বীপীয় ভারতের দীর্ঘতম নদীর নাম গোদাবরী ।
গোদাবরী বৃদ্ধগঙ্গা এবং দক্ষিণীগঙ্গা নামেও পরিচিত ।
মহারাষ্ট্রের নাসিকের অন্তর্গত সহাদ্রির উত্তরে ত্রিম্বক মালভুমি থেকে গোদাবরী উৎপত্তি লাভ করেছে ।
বঙ্গপ্রসাগরে পতিত হওয়ার আগে গোদাবরী দুটি ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে এবং গৌতমী গোদাবরী এবং বশিষ্ঠ গোদাবরী নাম নিয়ে বঙ্গপ্রসাগরে পতিত হয়েছে ।
উপদ্বীপীয় ভারতের দীর্ঘতম নদীটির নাম হল কৃষ্ণা ।
পশ্চিমঘাট পর্বতমালার মহাবালেশ্বর এর উত্তরাংশ থেকে কৃষ্ণা নদী উৎপত্তি লাভ করেছে ।
কৃষ্ণা নির্মিত বদ্বীপ গোদাবরীর বদ্বীপের সাথে মিলিত হয়েছে ।
কাবেরী হল দক্ষিনভারতের সবচেয়ে পবিত্র নদী ।
কাবেরী দক্ষিণের গঙ্গা নাম পরিচিত ।
পশ্চিমঘাট পর্বতের ব্রহ্মগিরি পাহাড়ের তলে কাবেরী নদীর উৎপত্তি লাভ হয়েছে ।
সুবর্ণরেখা একটি পূর্ববাহিনী নদী ।
সুবর্ণরেখা ঝাড়খণ্ডের রাঁচি মালভুমি থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে ।
সুবর্ণরেখা উৎপত্তিস্থল থেকে দক্ষিণপূর্বে প্রবাহিত হওয়ার সময় পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার মধ্যে সীমান্ত নির্ধারণ করেছে ।
অপর একটি পূর্ববাহিনী নদীর নাম হল ব্রাহ্মণী ।
রাউরকেল্লার নিকট শঙ্খ এবং কোয়েল নদীর সংমিশ্রনে ব্রাহ্মণী নদীটি উৎপত্তি লাভ করেছে ।
পশ্চিমবাহিনী নদীগুলির মধ্যে নর্মদা হল দীর্ঘতম ।
মধ্যপ্রদেশের সহোদল জেলার অমরকণ্টক মালভুমি থেকে নর্মদা নদীটি উৎপত্তি লাভ করেছে ।
উৎপত্তিস্থল থেকে প্রবাহিত হওয়ার সময় নর্মদা নদী প্রথমে মধ্যপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্রের মধ্যে এবং পরে মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ করেছে ।
জবালপুরের নিকট নর্মদা নদী ধুঁয়াধার জলপ্রপাত সৃষ্টি করেছে ।
মাহেশ্বরের নিকট সহস্রধারা নামক একটি জলপ্রপাত সৃষ্টি করেছে নর্মদা নদী ।
মোহনার কাছে সৃষ্ট দ্বীপগুলির মধ্যে দীর্ঘতম দ্বীপ হল আলিয়াবেত ।
নর্মদা নদী খাম্বাত উপসাগরে পতিত হয়েছে ।
পশ্চিমবাহিনী নদীগুলির মধ্যে দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী হল তাপী / তাপ্তি ।
তাপি নদী 'নর্মদার জমজ' নামে পরিচিত ।
মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলার অন্তর্গত সাতপুরা মালভূমির মুলতাই থেকে তাপী উৎপত্তি লাভ করেছে ।
উৎপত্তি লাভ করার পর লুনি সাগরমাটি নাম পরিচিত ।
সাগরমাটি নদীটি সুরসুটি নদীর সাথে মিলিত হওয়ার পর দুই নদীর মিশ্রিত জলরাশি লুনি নামে পরিচিতি লাভ করেছে ।
লুনি নদীটি কচ্ছের রণের উত্তরে অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে ।
গোদাবরী নদী :
উৎপত্তিস্থল :- তিব্বত মালভুমি , নাসিক , মহারাষ্ট্র
দৈঘ্য :- ১৪৬৫ কিমি
উল্লেখযোগ্য উপনদী :- পেন গঙ্গা , ওয়াধা , ওয়েনগঙ্গা , ইন্দ্রাবতী , প্রানহিতা
মহানদী :
উৎপত্তিস্থল :- দণ্ডকারণ্য , রায়পুর , ছত্তিসগড়
দৈঘ্য :- ৮৫৭ কিমি
উল্লেখযোগ্য উপনদী :- হাসদো , মন্দ , ইব , ওং , জঙ্ক
কৃষ্ণা :
উৎপত্তিস্থল :- মহাবালেশ্বর , মহারাষ্ট্র
দৈঘ্য :- ১৪০০ কিমি
উল্লেখযোগ্য উপনদী :- কোয়না , ঘাটপ্রভা , মুসী , ভীমা , তুঙ্গভদ্রা , মালপ্রভা
কাবেরী :
উৎপত্তিস্থল :- তাল কাবেরী , পশ্চিমঘাট
দৈঘ্য :- ৮০০ কিমি
উল্লেখযোগ্য উপনদী :- হেমাবতী , অমরাবতী , হেরাঙ্গি , ভবানী , অরকাবতী
নর্মদা :
উৎপত্তিস্থল :- অমরকণ্টক মালভুমি , মধ্যপ্রদেশ
দৈঘ্য :- ১৩১০ কিমি
উল্লেখযোগ্য উপনদী :- হিরণ , বার্না , কুন্ডি , কোলার
তাপ্তি :
উৎপত্তিস্থল :- মুলতাই , মধ্যপ্রদেশ
দৈঘ্য :- ৭৩০ কিমি
উল্লেখযোগ্য উপনদী :- বেতুল , পূর্ণা
File Details :
No. Of Pages : 03
File location : Google Drive
File size : 412 kb

0 Comments
Please do not share any spam link in the comment box